মাদক ঢাকতে ধর্ষণের ঢোল বাজালেন মাহমুদ এইস খান

ডেস্ক এডিটরডেস্ক এডিটর
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:১৪ AM, ৩১ অগাস্ট ২০২০

১১৪ জন সংবাদটি দেখেছেন

স্বঘোষিত মাদক সেবনকারি ও ধর্ষনের সহযোগিতাকারি বা নারী দালাল, যার বাসায় নারী ও মাদকের আড্ডা ছিল হর-হামেশা। সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেতা নেত্রী ও তাদের গরুজীদের মদ গাঁজা ইয়াবাসহ সকল প্রকার মাদকের ব্যবসা ও আড্ডার অভয়স্থল ছিল সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেতা মাহমুদ এইচ খাঁনের বাসায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় মাহমুদ এইস খাঁন মুলতঃ মাদকের ব্যবসার সাথে জড়িত, ছাত্রফ্রন্টের মেয়েদের মাধ্যমে মাদক আদান প্রধানের কাজটি করানো হত। মাহমুদ এইস খাঁন এর মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাদক সাপ্লাই দেওয়া হয়, মৌলভীবাজার শহরে মাদক সেবন কারিদের কাছে সে মাদকের ডিলার হিসাবে পরিচত।

মদকের টাকার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে, এক পর্যায়ে মাদকের বিষয়টি প্রকাশ করার হুমকি দেয় সবজিবুল তুষার। মাহমুদ এইস খান মাদকের বিষয়টি ঢাকতে ধর্ষণের বিষয়টি সামনে নিয়ে আসে, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বা পুলিশ প্রশাসন স্বরবৃত্তে অনুসন্ধান চালালে তলের বিড়াল বাহির হয়ে আসবে । ধর্ষণ বলতে কিছুই ছিলনা যাহা হয়েছে একে অণ্যের সম্মতিতে হয়েছে, এমন পরিবেশ মাহমুদ এইস খানের বাসা প্রায় সময় হয়ে থাকে বলে জানা যায়। এ বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বিস্তারিত পরবর্তী নিউজে অপেক্ষায় থাকুন।

নৈতিকতা বিবর্জিত কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রেসক্লাব থেকে মাহমুদ এইচ খাঁনকে বহিষ্কার করা হয়। সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট থেকে সজিবুল ইসলাম তুষারকে বহিিষ্কার করা হয়।

বাসদ মৌলভীবাজার জেলা বর্ধিত ফোরামের সদস্য রায়হান আনছারিকে দলের সকল প্রকার দায়দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে রায়হানকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়।

সমাজদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে শুধু সাময়িক আর অসাময়িক বহিষ্কার করে গুরুজীরা তাদের দায় কি এরিয়ে যাবেন ?

আপনার মতামত লিখুন :