শালা-দুলাভাই তো নয়, এ যেন ‘মানিক জোড়া”

ডেস্ক এডিটরডেস্ক এডিটর
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:২৪ PM, ২৯ অক্টোবর ২০২০

৫১ জন সংবাদটি দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ এ কোন গল্প নয়, নয় সিনেমা’র কোন কল্পিত চরিত্র। বলছি সাংসদ হাজী সেলিম পুত্র ইরফান সেলিম ও নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ একরামুল করীম চৌধুরীর ছেলে শাবাব চৌধুরীর কথা। সম্পর্কে তারা শালা-দুলাভাই। শালা-দুলাভাই দুজনেরই আছে এক গাড়ির ‘রোগ’। রাস্তায় নামলে দুজনেই বেপরোয়া। মানুষ হত্যাসহ দুজনের বিরুদ্ধেই রয়েছে বহু অভিযোগ। ‘দুলাভাই’ হলেন ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজী সেলিমের পুত্র ইরফান সেলিম। নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ খানের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে এখন কারাগারে। আর ‘শ্যালক’ হলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ একরামুল করীম চৌধুরীর ছেলে শাবাব চৌধুরী।

জানা যায়, শাবাব চৌধুরী এএন্ডজে গ্রুপ নামে চট্টগ্রামভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। শাবাব চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রথম গুরুতর অভিযোগ আসে ২০১৮ সালের ১৯ জুন। ওইদিন শাবাবের চালানো প্রাইভেট কারটি এক ব্যক্তিকে চাপা দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

পরে একটি মামলা হলেও নিহত ব্যক্তির হতদরিদ্র পরিবার নোয়াখালীর আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ একরামুল হক চৌধুরীর অর্থবিত্তের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। সাংসদের পরিবারের পক্ষ থেকে ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে শেষ পর্যন্ত মামলা তুলে নিতে বাধ্য হয় নিহতের পরিবার। শাবাব চৌধুরীর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক অভিযোগটি ওঠে চলতি বছরের ১১ জুলাই।

চট্টগ্রাম নগরীর লালখানবাজারে এমপিপুত্র শাবাব তার দ্রুতগামী গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেন খোদ পুলিশের গাড়িকেই। এ ঘটনায় অল্পের জন্য কয়েকজন পুলিশ সদস্য প্রাণে রক্ষা পান। গাড়িতে থাকা খুলশী থানার এসআই আনোয়ার হোসেন ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে ওই গাড়িটিকে আটকে ফেলেন। এ সময় শাবাব চৌধুরী নিজেকে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর পুত্র পরিচয় দিয়ে পু’লিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। উল্টো পুলিশকেই হুমকি দেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন :